ফিচার বাংলাদেশ রাজনীতি সর্বশেষ

আমি চাই ছাত্রলীগ-যুবলীগ বিবেকবান হোক: মাহফুজা খানম

আমি চাই ছাত্রলীগ-যুবলীগ বিবেকবান হোক: মাহফুজা খানম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের পর তাদের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও সিনেট সদস্য মাহফুজা খানম বলেছেন, ‘ছাত্রলীগ, যুবলীগের নাম ধরেই বলব এদের ছেড়ে দিলে চলবে না। এদের কন্ট্রোল করা প্রয়োজন। আমি চাই তারা বিবেকবান হোক’।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’ ব্যানারে আয়োজিত ‘সম্প্রীতির নির্বাচন, নতুন সরকার ও আগামী দিনের প্রত্যাশা’ শিরোনামের আলোচনায় তিনি এসব বলেন।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার বিষয়ে মাহফুজা খানম বলেন, ‘আমি প্রথম কথায় বলব, ইশতেহারের প্রতিটি জিনিসের জন্য মনিটরিং টিম, চেক আউট লিস্ট থাকতে হবে। ৫০ দিনের কাজ, ১০০ দিনের কাজ সব ঠিক করে নিতে হবে’।

একমুখী শিক্ষা প্রণয়নের পাশাপাশি নারী, শিশু ও যুব নীতি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।

সংস্কৃতিকর্মী পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় আলোচনার শুরুতে বলেন, নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমরা ঘুরেছি। আমরা চেয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, মানবিক দর্শনের মানুষ এবারের নির্বাচনে জঙ্গিবাদী- সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দেয়। এই নির্বাচন অপশক্তিকে রুখে দিয়েছে।

বৈঠকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে সব চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রকে পরাজিত করে এক অ্যাসিড টেস্টে উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ। যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে, তার বিরোধী রাজনীতি করে, তাদের সেই রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ’।

এবারের নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’এর সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ নিয়েও এই সভায় আলোচনা হয়। মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তালিকা আইএসআই মনোনীত ও লন্ডন থেকে অনুমোদিত।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পঁচাত্তরের কথা ভুলে গেলে চলবে না। দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা, ষড়যন্ত্রকারী যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে।

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নতুন সরকারকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও বলেছেন বক্তারা।

এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, নারী নেত্রী রোকেয়া কবির, উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংগঠক অ্যারমা দত্ত, অর্থনীতিবিদ আর এম দেবনাথ, সাবেক রাষ্ট্রদূত এ কে এম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. অসীম কুমার সরকার, সাংবাদিক রহমান মুস্তাফিজ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান লাল্টু প্রমুখ।

Comments