ফিচার বাংলাদেশ ক্যাম্পাস সর্বশেষ ধর্ম

আমি হবো এ মন্দিরের প্রথম উপাসক : চবি উপাচার্য

আমি হবো এ মন্দিরের প্রথম উপাসক : চবি উপাচার্য

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, যতক্ষণ আমি ধর্মকে প্রাধান্য দেব ততক্ষণ আমি ধার্মীক থাকব। আর প্রত্যেক ধার্মীক ব্যক্তি অসাম্প্রদায়িক। ধর্মকে বাদ দিয়ে যখন সম্প্রদায়কে গুরুত্ব দেব তখন আমরা সাম্প্রদায়িক হয়ে যাব। এ মন্দিরের কাজ সম্পন্ন হলে আমি হবো এ মন্দিরের প্রথম উপাসক।  

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১২ টার দিকে বিশবিদ্যালয়ের উত্তর ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রথমবারের মতো নির্মিত কেন্দ্রীয় মন্দির উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় উপাচার্য আরো বলেন, সব ধর্মের ধার্মীক ব্যক্তিগণ কখনো সাম্প্রদায়িক হতে পারে না। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডায় একই ঈশ্বর বাস করেন, এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই। 

 

শ্রী ক্ষুদিরাম চৌধুরী ও শ্রীমতি নীরুবালা চৌধুরীর স্মরণে এ মন্দিরটি নির্মিত হচ্ছে। মন্দিরটি নির্মাণের জন্য সহযোগিতা করছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী ও শ্রীমতি অনিতা চৌধুরী। 

সনাতন ধর্ম পরিষদের বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠিত এ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার। এসময় দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি এবং সকলের মঙ্গল কামনা করে পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্ম পরিষদ'র সভাপতি প্রফেসর ড. তাপসী ঘোষ রায়।

মন্দির নির্মাণে সহযোগিতা করায় শিল্পপতি শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী ও শ্রীমতি অনিতা চৌধুরীকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতাকে প্রতিহত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সোনার বাংলা বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে স্ব স্ব অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড.এ এফ এম আওরঙ্গজেব, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শংকর লাল সাহা, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতিবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) জনাব কে এম নুর আহমদ, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

Comments