ফিচার ক্যাম্পাস সর্বশেষ

ইসির ভেতর থেকে ‘সমস্যা’ ঘটার আশঙ্কা : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

ইসির ভেতর থেকে ‘সমস্যা’ ঘটার আশঙ্কা : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের ভূমিকার প্রেক্ষাপটে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন নিয়ে ইসির ভেতর থেকে ‘সমস্যার’ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আশঙ্কা করছি নির্বাচন কমিশনের ভেতরে সমস্যা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। ২-১ জন কমিশনার নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।”

গুলশানের লেইক শোর হোটেলে ‘অগ্রগতির বাংলাদেশ : জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ, রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ।

ইভিএমসহ নানা বিষয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করে আসা নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সম্প্রতি নির্বাচনে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি বলে মন্তব্য করে আলোচনার জন্ম দেন।

তার এই বক্তব্য ‘অসত্য’ বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা; তা নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মাহবুব তালুকদার।

আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক মীজানুর নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের নাম উল্লেখ না করলেও ইঙ্গিত যে তার দিকে, তা স্পষ্ট।

তিনি বলেন, “যার কথা বলছি তিনি বই লিখেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, তিনি জীবনে কোথাও সফল হননি। তিনি লিখেছেন এটা। যিনি নিজে কোথাও সফল হননি, তিনি এবারও ব্যর্থ হবেন।”

নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে তাদের প্রস্তাবিত নাম নেওয়া হয়েছিল। তখন বিএনপির তালিকায় মাহবুব তালুকদারের নাম ছিল বলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় আমাদের অনেক সময় আলোচনায় দ্বিমত থাকে। আমরাও নোট অব ডিসেন্ট দিই। কিন্তু সেগুলো বাইরে বলি না। উনি নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে প্রকাশ্যে বললেন। এসব বিষয়ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মনিটর করতে হবে।”

বিএনপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা এবারের নির্বাচনেও ধর্মীয় জিগির তুলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই যুবলীগ নেতা।

ইসির নিবন্ধিত ২৫টি পর্যবেক্ষক ও ২৬টি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) সম্মিলিত মোর্চা ‘ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম’ এর এই আলোচনা সভায় আইনজীবী তুরিন আফরোজ ‘বিএনপিঘনিষ্ঠ’ তিনটি পর্যবেক্ষক সংস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন থেকে পর্যবেক্ষক হিসেবে ১৭টি সংগঠনকে এপ্রুভড করা হয়েছে। একটি পর্যবেক্ষক দলকে নির্দলীয় থাকতে হবে। এর মধ্যে দলীয় পর্যবেক্ষক দল থাকলে তখন তারা ঘোলা পানিতে মাছ ধরবার চেষ্টা করে।

Comments