ফিচার বাংলাদেশ ক্যাম্পাস সর্বশেষ শিক্ষা

এখনও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ!

এখনও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ!

‘ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করা ছিল বর্তমান সরকারে অঙ্গীকার। সে লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর সেই সঙ্গে দেশের তথ্য প্রযুক্তিকেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সরকার। যার কারণে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এখন তথ্য প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল।

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট দেওয়া হয়। আর এ লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজের (ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ এবং সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ) জন্য আলাদা ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন।

সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং সাত কলেজের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাত কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

কিন্তু ওয়েবসাইট উদ্বোধনের পর আজ প্রায় দেড় বছর অতিবাহিত হলেও ‘সরকারি বাঙলা কলেজের’ ওয়েবসাইটে তেমন কোন আপডেট বা কলেজ সংশিষ্ট তথ্য কোন ধরনের পাওয়া যায় না।

কলেজটির ওয়েবসাইটে ‘www.gbcmirpur.edu.bd’ ঘুরে পাওয়া যায়নি উল্লেখযোগ্য কোন নোটিশ বা তথ্য।

তাছাড়া ওয়েবসাইটে এখনও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেখাচ্ছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ‘নুরুল ইসলাম নাহিদ’কে এবং অধ্যক্ষ হিসেবে দেখাচ্ছে সাবেক অধ্যক্ষ মো. ইমাম হোসেনকে।

সর্বশেষ একাদশ সংসদের মন্ত্রিসভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরই মধ্যে শপথ গ্রহণসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে অনেক আগেই।

এ বিষয়ে সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরা নানান অভিযোগ করে আসছে অনেকদিন ধরেই কিন্তু বার বার বলা সত্ত্বেও উল্লেখযোগ্য কোন ব্যবস্থা নেননি কর্তৃপক্ষ।

মমিনুল নামে এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘ঢাবির অধিভুক্ত অন্যান্য কলেজগুলোতে নিয়মিত বিভিন্ন প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন নোটিশ দেয় কিন্তু আমাদের কলেজের ওয়েবসাইটে কিছু পাওয়া যায় না। কোন তথ্যের দরকার হলে আমাদের কলেজে গিয়ে তারপর খোঁজ নিতে হয়।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘একদিন কলেজে এসে শুনি আজ নাকি বন্ধ। কিসের যেন বন্ধ ছিল ওইদিন সেটা এখন ঠিক মনে নেই কিন্তু ওয়েবসাইটে কোন তথ্যই পেলাম না। এরকম নানান সময়ে নানান সমস্যা হয়। আমাদের ওয়েবসাইট করে কোন লাভই হয়নি ছাত্রদের।’

এসব বিষয় নিয়ে সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. ফেরদৌসী খানকে ফোন দেয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর একাধিকবার তাকে ফোন দেয়া হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

Comments