বাংলাদেশ সর্বশেষ

ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ গোলাম রাব্বানী!

ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ গোলাম রাব্বানী!

আল-আমিন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। হাই্রবিডের এই যুগে পরগাছা শ্রেণীর নেতা কর্মীদের ভীড়ে প্রকৃত নেতা কর্মী পাওয়া যেখানে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে একজন গোলাম রাব্বানী হয়েছেন ব্যতিক্রম। সারাদেশের তৃণমুল পর্যন্ত তার মানবতার কাজগুলোর প্রশংসাও কুড়িয়েছে অনেক। ছাত্রমহলে অর্জন করেছেন আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা। দরিদ্র অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এরই মধ্যে তার একাধিক প্রশংসনীয় উদ্যোগ প্রশংসা কুঁড়িয়েছে সবার। অতীতের মত বর্তমান সময়েও ছাত্ররাজনীতিতে তার ভূমিকা ও কর্মযজ্ঞ ছিল প্রশংসনীয়। দলের প্রতি নিবেদিত প্রাণ গোলাম রাব্বানী। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার নিয়ে কটুক্তি, সংবিধান ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত প্রদানের অভিযোগে গোলাম রাব্বানী বাদী হয়ে তুহিন মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন। বিএনপির জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনের সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক শাহাদাতকে পেট্রোল বোমা ও ককটেল সহ আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে গোলাম রাব্বানী। এজন্য তিনি ডিএমপি কতৃক পুরস্কার লাভ করেছিলেন। এবং সেই পুরস্কার লব্ধ অর্থ ঢাকা মেডিকেলের বার্ণ ইউনিটে প্রদান করে দেন। তিনি তার হাত খরচের জমানো অর্থ দিয়ে হান্নান নামক এক শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাইকে ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে রিক্সা উপহার দিয়েছিলেন। এছাড়া বকশীবাজারে ছাত্রদল ও শিবির এর নাশকতার চেষ্টাকালে গোলাম রাব্বানী সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে তা প্রতিহত করেন। সড়ক দুর্ঘটিনায় মারাত্মকভাবে আহত রিক্সাচালক জাহিদুল ইসলামের চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে দেন এবং তার সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেন ছাত্রলীগের এই নেতা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটুক্তিমূলক স্লোগান দেওয়ায় ইমরান এইচ সরকারকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহবাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ছিলেন গোলাম রাব্বানী। এমনকি তিনি ইমরান এইচ সরকারের বিরুদ্ধে মানহানি মামলাও করেন। সেই সাথে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ইমরান এইচ সরকারকে দেখামাত্র পচা ডিম ছোড়াঁর ঘোষণা দিয়েছিলেন। পুলিশের টিয়ার সেলে চোখ হারানো তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর এর পক্ষ থেকে ডিএমপির কাছে ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসা খরচ বহনের দাবী তুলে ধরেছিলেন গোলাম রাব্বানী। যার ফলে সরকারের পক্ষ হতে সিদ্দিকুর কে চিকিৎসার জন্য ভারত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে সরকার তাকে একটি চাকরিও দেন। এছাড়া তিনি মুখ দিয়ে লিখে অনার্স পাশ করে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক প্রতিবন্ধী অদম্য মেধাবী হাফিজুরের লেখাপড়ার খরচ চালানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। ছেলে ও পুত্রবধুর কাছে নির্যাতনের শিকার এক বৃদ্ধা মায়েরও ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়েছেন ছাত্রলীগের এই নেতা। এ রকম শত শত মানবতার কাজ করে তৃণমূল থেকে প্রতিটি স্থরে, দল মত নির্বিশেষে সবার কাছে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন। গোলাম রাব্বানীর দায়িত্ব পালনে ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গোলাম রাব্বানী তার বাবা-মায়ের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে যেতেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করে তিনি রাজনীতিতে সবসময় ব্যস্ত ছিলেন। যেমন ভাবে বঙ্গবন্ধু ঘরের ধান গরীব মানুষকে দিয়ে দিতেন। গোলাম রাব্বানী তার আদর্শ থেকে একটুও বিচ্যুত হননিন। যে কোন বাধাই আসুক, তবুও তিনি শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য নিজের জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও হলে তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। গোলাম রাব্বানীর মা সবসময় নিজেকে রাব্বানীর মা হিসাবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। ছেলের এ রকম কাজে মা হিসেবে তিনি সবসময় উৎসাহিত করতেন। বঙ্গবন্ধুর আপোষহীন নীতি, ব্যক্তিত্ব ও আদর্শ অন্তর গহীনে ধারণ করেই এখনো রাজনীতি করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

Comments