ফিচার বাংলাদেশ রাজনীতি সর্বশেষ

ঢাকা-১২: সবদিক দিয়েই এগিয়ে কামাল

ঢাকা-১২: সবদিক দিয়েই এগিয়ে কামাল

কাজী আওলাদ হোসেন ও আবু হাবিব শাকিল- 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে রাজনৈতিক দলগুলো। লক্ষ্য নির্বাচনের মাঠে অন্য প্রার্থীদের বিপরীতে টিকে থাকা। চিত্রটি ভিন্ন ঢাকা-১২ আসনে। আসনটিতে একক আধিপত্য বিস্তার করে আছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মানণীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল   । দেশের আলোচিত আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-১২ আসন একটি। আসনটি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, শের-ই-বাংলা নগর ও হাতিরঝিল থানা এলাকা নিয়ে গঠিত। ঢাকা-১২ আসনে পুরোদমে প্রচারে মানণীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা মাঠে নেই সেভাবে।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মানণীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল   ।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি। ভোটার ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭১৮ জন। কামালের পাশাপাশি প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির সাইফুল আলম নীরব (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ শওকত আলী হাওলাদার (হাতপাখা), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি (কোদাল), জাতীয় পার্টির নাসিরউদ্দিন সরকার (লাঙ্গল) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহীন খান (আম)।

ঢাকা-১২ আসন এলাকায় বড় রাস্তা থেকে ছোট রাস্তা, উড়াল সড়কের দেয়াল ও স্তম্ভ, বড় গলি থেকে সরু গলিই শুধু নয়, বাদ যায়নি হাট-বাজারও। নৌকার সাদা-কালো পোস্টার ঝুলছে সব জায়গায়। কিছু দূর পরপর স্থাপিত নির্বাচনী প্রচারণার অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোও সরব নৌকা মার্কার প্রচারণায়।

এলাকাজুড়ে গণসংযোগ চালানোর পাশাপাশি বর্ণিল সাজে সজ্জিত ক্যাম্পগুলোতে ভরপুর চায়ের আড্ডাতেও মেতে রয়েছেন নৌকার সমর্থকরা। নৌকায় ভোট প্রার্থনার মাইকিংও আসছে কানে।

বিপরীতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ‘কোদাল’ ছাড়া আর কারও দেখা মিলছে না। মাইকিং, গণসংযোগ তো নেইই। স্থানীয়রা জানান, ‘নৌকা’ আর ‘কোদাল’ ছাড়া অন্য কোনো পোস্টার চোখে পড়ে না সেভাবে। বিশেষভাবে নীরব বিএনপির প্রার্থী সাইফুল আলব নীরব।

নৌকা প্রতীকে আসাদুজ্জামান কামাল নির্বাচন করছেন জানলেও অন্যদের কারও নামই বলতে পারেননি অনেকেই।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও "শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্রের" চেয়ারম্যান সৈয়দ মিজানুর রহমান কলেজ ক্যাম্পাসকে বলেন, "আসাদুজ্জামান খান কামাল ঢাকা-১২ আসনের স্থানীয় বাসিন্দা। বৃহত্তর তেজগাঁওের সুখ- দুঃখে আমাদের এবং সামগ্রিক উন্নয়নে সবসময় পাশে ছিলেন । আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল মত নির্বিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থী আসাদুজ্জামান খান কামাল ভাইকে জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন বলে আমি আশাবাদী। "

কলেজ ক্যাম্পাস পত্রিকার পাঠকদের জন্য সৈয়দ মিজানুর রহমানের বক্তব্য তুলে ধরা হল-

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2105012966222318&id=1778237348899883

 

আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়ক আবদুর রশিদ  কলেজ ক্যাম্পাসকে বলেন, আসাদুজ্জামান খান কামালকে নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। সবার সমান সুযোগ সৃষ্টি করেছেন বর্তমান নির্বাচন কমিশন। ঢাকা-১২ আসনে সব প্রার্থী সমান সুযোগ পাচ্ছে বলে আমি মনে করি।‘নির্বাচন ঘিরে প্রত্যেক ওয়ার্ডে প্রচারণা কমিটি করা হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রার্থী নিজে ভোটারদের দুয়ারে ভোট প্রার্থনা করছেন। এলাকায় এলাকায় মতবিনিময় করা হচ্ছে। সেখানে সরকারের সফলতা ও ১০ বছরে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। জনগণ নৌকার প্রচারণাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। আগামী নির্বাচনে নৌকা এ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে বলে প্রত্যাশা করছি।’

কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা গিয়াস উদ্দিন মামুন কলেজ ক্যাম্পাসকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সরকারি দলের নেতাকর্মীরা পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না। লাগালেও তা ছিঁড়ে ফেলে। কেউ পোস্টার লাগাতে গেলেই তাদের আটক করা হচ্ছে।’

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিউল্লাহ সফি কলেজ ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমরা বিএনপির পোস্টার লাগাতেও দেখি না, ছিঁড়তেও দেখি না। ভোটের মাঠে তাদের কোনো কর্মীদেরও দেখি না। তারা বরাবরই অভিযোগ দিয়ে এসেছে। এবারও তাই দিচ্ছে।’

Comments