ফিচার বাংলাদেশ রাজনীতি ক্যাম্পাস সর্বশেষ

ঢাবিতে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও

ঢাবিতে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও

ডাকসু অস্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রত্যাহার ও স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও করেছে প্রার্থী ও সমর্থকরা। তবে এতে অংশ নেয়নি ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল।

দেশের সকল নির্বাচনে স্বচ্ছ প্লাস্টিকের ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে তার ব্যতিক্রম হতে চলেছে। অস্বচ্ছ ব্যালট বাক্সেই ভোট সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। এর প্রতিবাদ জানাচ্ছেন প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এদিকে কথা ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ব্যালট ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে যাবে। কিন্তু ভোটের একদিন আগেই বদল হলো সে সিদ্ধান্তে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ সন্ধ্যা ৭টার দিকে হলে হলে পৌঁছানো হবে এই ব্যালট। বাংলাদেশ জার্নালকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন।

তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে অনেক কাজ। বিষয়গুলো সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। সামগ্রিক বিষয় চিন্তা করে রাতেই ব্যালট বাক্স-পেপার পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এর আগে নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে নির্বাচনের দিন সকালে ব্যালট বাক্স পাঠানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা। সে সময় তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সবার আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যালট পেপার সকালে পাঠানোর প্রস্তাব আমরা গ্রহণ করলাম।

কিন্তু হঠাৎ করেই আজ এই সিদ্ধান্ত জানানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেক প্রার্থী।

দীর্ঘ ২৮ বছর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে ক্যাম্পাসে বাড়তি পুলিশ মোতায়ান থাকবে। সেই সঙ্গে সাদা পোশাকের বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিয়োজিত থাকবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, আমরা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন সেটাই করবো। কেউ যাতে পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে; সেজন্য বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেটা আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। পাশাপাশি ওই সময় থেকে পরের দিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বহিরাগতদের চলাফেরা ও স্টিকারবিহীন গাড়ি চলতে পারবে না। প্রক্টর আরো বলেন, ভোটার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য ও কর্তব্যরত ছাড়া ক্যাম্পাসের মধ্যে কেউ অবস্থান করতে পারবে না। এমন কাউকে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments