ফিচার বাংলাদেশ সর্বশেষ

তরুন প্রজন্মই আলোর পথ দেখাবে-বাহাদুর

তরুন প্রজন্মই আলোর পথ দেখাবে-বাহাদুর

একাদশ সংসদ সদস্যদের নিয়ে গড়া নতুন মন্ত্রিসভার পথচলা শুরু হল। তরুন প্রজন্মের আশার প্রতিফলন ঘটেছে নতুন মন্ত্রিসভায়। তরুনরাই পারে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখাতে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী তরুনদের প্রতি যে আস্থা রেখেছেন সে আস্থার প্রতিফলন আমরা দেখতে চাই। আগামী বাংলাদেশ যেন হয়  সমৃদ্ধির নতুন উদাহরণ। প্রথমবারের মতো সাংসদ হয়েই মন্ত্রিত্ব লাভের স্বাদ গ্রহণ করেছেন অনেকে। এটাই ছিল একাদশ সংসদ সদস্যদের নিয়ে গড়া মন্ত্রিসভার চমক।

একাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতর কোনো অসন্তোষ নেই বলে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম বাহাদুর জানিয়েছেন।পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমাদের দলের ঐক্য অনেক বেশি দৃঢ়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে কখনও হতাশ করেননি। জাতির গভীর সংকট কালে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্তই ছিল সঠিক। অমনিশার অন্ধকার থেকে দেশকে কিভাবে আলোর পথে নিয়ে আসতে হয় তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন। তাই নতুন মন্ত্রিসভা আমাদের দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে বলে আমি মনে করি।

লন্ডনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) তথ্যমতে, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারী তরুণ-তরুণীর মধ্যে ৪৭ জন বেকার। ভারত ও পাকিস্তানে প্রতি ১০ জন শিক্ষিত তরুণের তিনজন বেকার। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বলছে, দেশে ২৬ লক্ষাধিক বেকার যার অধিকাংশই শিক্ষিত। ২০টি সর্বাধিক বেকারত্বের দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বাদশ।

শিক্ষিত বেকারের এই অসম্ভব বৃদ্ধির কারণ কী? এমনি এক প্রশ্নের জবাব দেন একজন সফল, সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম বাহাদুর।

তিনি বলেন, বেকারত্বের মূল কারণ আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা। আমরা যে শিক্ষা দিচ্ছি, তা না পারছে নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধ তৈরি করতে, না পারছে সময় ও যুগের চাহিদা মেটাতে। আমাদের সমাজে যারা স্বল্পশিক্ষিত কিংবা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত, তারা যেকোনো একটি কাজ পেলেই খুশি হন। কিন্তু শিক্ষিত তরুণদের রয়েছে কায়িক পরিশ্রমের প্রতি প্রচণ্ড অনীহা। সমাজও তাদের হেয় চোখে দেখে।

তিনি আরও জানান, বেকারত্বের পেছনে শুধুমাত্র কর্মসংস্থানের অভাবকেই আমরা প্রধানতম কারণ বলে মনে করি।বাস্তবতা হচ্ছে কর্মক্ষেত্রে কাজের লোকের অভাব প্রকট আবার কোটি মানুষ বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে অমানবিক জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। মূল কারণ সমূহ হচ্ছে শ্রমিকের অদক্ষতা, সুষ্ঠ পরিকল্পনার অভাব, শিল্প খাতে কর্মসংস্থানের অভাব, আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব, যুগোপযোগী কারিগরি জ্ঞানের অভাব, কৃষি, মৎস্য, পশুপালন ও পোল্ট্রির মত লাভজনক খাতে শিক্ষিত লোকের কাজে অনীহা।বেকারত্বের হার কমানোর জন্য দেশে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই।

এ থেকে বের হয়ে আসতে না পারলে এই বেকার সময় লাঘব পাবে না বরং বৃদ্ধিই পেতে থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সহযোগিতায় বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কোন বিরোধ নাই জানিয়ে ফরিদুল  ইসলাম বাহাদুর বলেন, বাংলাদেশ দলিল লেখকদের বেতন ভাতা সেই পাকিস্থানি আমলের মতই রয়ে গেছে, দেশ স্বাধীনের ৪৭ বছর অতিক্রম করলেও দলিল লেখকদের বেতন ভাতার পরিবর্তন হয়নি। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে দলিল লেখকদের এ সমস্যা সমাধানের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কলেজ ক্যাম্পাস/০৮-জানুয়ারি-২০১৯/শাকিল

Comments