ফিচার বাংলাদেশ সর্বশেষ মতামত চাকরির বাজার নারী

নারী কোটার বিড়ম্বনায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা

নারী কোটার বিড়ম্বনায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়ন ও কতৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ২০০৫ সাল থেকে তাদের যাত্রা শুরু করলেও কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক সুপারিশের দায়িত্ব পায় ২০১৬ সাল থেকে। তখন দেশের কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সুপারিশ করার পর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে শতশত মামলার ভেরাজালে পরে প্রতিষ্ঠানটি।

দীর্ঘ দুই বছর নিয়োগ বন্ধ থাকার পর মামলা জটিলতা কাটিয়ে ২০১৮ সালে আবারও সারা বাংলাদেশে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক সুপারিশ করে প্রতিষ্ঠানটি। এতে লক্ষ লক্ষ নিবন্ধিতরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছিলো। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি।

সুপারিশ পাওয়ার পরও ভোগান্তি যেন পিছু ছাড়ছে না তাদের। এই ৪০ হাজার সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ পরেছে মহিলা কোটার বিড়ম্বনায়। কারন নীতিমালায় আছে কোন জেলা শহরে বা জেলা শহরের পৌরসভার মধ্যে শতকরা ৪০% নারী আর গ্রামাঞ্চলে শতকরা ২০% নারী থাকতে হবে। কিন্তু এই সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানেরই নারী কোটা পূরন হয়নি, ফলে সুপারিশপ্রাপ্ত পুরুষ শিক্ষকরা পরেছে বিপাকে।তাদের নিয়োগ হওয়ার পরও এমপিও হচ্ছে না। কারন নারী কোটা পূরন হয়নি, ফলে তারা বিনাবেতনে শ্রম দিচ্ছে এবং পরিবার নিয়ে কষ্টে দিনযাপন করছে। কেউ কেউ এই বিষয়ে এনটিআরসিএ তে অভিযোগ দেয়ার পর তারা বলছে এটা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিষয় তারা এর সামাধান করতে পারে।

এখন ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন হলো তাহলে কেন নারী কোটা পূরন না করে তাদের নিয়োগ দেয়া হলো। এখন এর দায় কার? তাই এই সকল ভুক্তভোগীদের দাবী কতৃপক্ষ যেন খুব দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং অসহায় শিক্ষক ও তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে সাহায্য করে।

Comments